মো লুৎফুর রহমান রাকিব আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি
চিওড়া ইউনিয়নের ঘোষতল গ্রামের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মোমিন পিতাঃ মৃত আঃ হালিম বেন্টার কে স্থানীয় সচেতন যুবসমাজ হাতেনাতে ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করলেও, দুঃখজনকভাবে এখনো পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো—এই মাদক কারবারি শুধু মাদকের মাধ্যমে সমাজকে ধ্বংস করছে না, বরং প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। ইতোমধ্যে সে ফয়সাল নামের এক যুবককে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়ে তাকে আহত করে পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় চৌদ্দগ্রাম থানায়,টাকা এবং।সিন্ডিকেটের বড়াইয়ে।সেটিও সমাধান করে নেয় ,
রাসেল বাঙালী নামের এক যুবক মাদক ব্যবসায়ী মোমিনের মাদকদ্রব্য তার ভাইয়ের ছেলে আকাশকে সহ গ্রেফতার করানোর জেরে রাসেল ভাঙালিকে তার বাকী দুই ভাই গোলাফ এবং আবুল,তার ভাতিজা বাবু সহ,তার ছোট বোন এক সাথে সবাই তাকে পিটিয়ে আহত করে পরবর্তীতে তাকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে, এবং সেই ঘটনায় ও মামলা দায়ের করা হয় মাদক ব্যবসায়ী মোমিনের বিরুদ্ধে,
জগন্নাথ দীঘি ইউনিয়নের কাখৈরখোলা গ্রামে মাদক সহ দুই যুবক আটকের পরে তারা দায় স্বিকার করে মোমিনের মাল বলে জানায়,পরবর্তীতে তাদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে যায়,
প্রমাণ থাকার পরেও,মোমিনের বিরুদ্ধে কোন প্রদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন,
জাফর নামের এক ব্যক্তি মোমিন,আবুল,গোলাপের ক্যারিংম্যান হিসেবে বেশ কয়েকবার বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য সহ বেশ কয়েকবার গ্রেফতার হয়,
তিন মাস আগে মোমিন বিপুল পরিমাণ গাজা সহ নিজে গ্রেফতার হয়ে কয়েকদিন পরে জেল খেটে বের হয়ে আসে, আবারও শুরু করে মাদকের ব্যবসা,
জানা গেছে মোমিন, গোলাফ, ও তার ভাই আবুলের বিরুদ্ধে ৫০ এর ও বেশি মামলা রয়েছে চৌদ্দগ্রাম সহ অম্যান্য থানায়,এবং তাদের ১০ টি গাড়ি মাদকদ্রব্য সহ গ্রেফতার হওয়াতে থানায় পড়ে রয়েছে,
প্রশ্ন জাগে—এমন একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না
প্রশাসনের নীরবতা কি মাদক ব্যবসায়ীদের আরও উৎসাহিত করছে না
আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই—
মাদক শুধু একটি পরিবার নয়, গোটা সমাজকে ধ্বংস করছে। একজন মাদক ব্যবসায়ীকে রক্ষা করার মানে পুরো প্রজন্মকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া। তাই প্রশাসনের প্রতি আমাদের দৃঢ় আহ্বান—
মাদক ব্যবসায়ী মোমিন কে সেল্টার দেওয়া সিন্ডিকেটে কারা কারা জড়িত তা আমাদের হাতে এসে পৌছেছে, এবং তাদের নাম ছবি সহ আমরা তা পরতে পরতে প্রকাশ করবো,এবং প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ তৈরি করে দিবো
রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে কেউ যেন মাদক ব্যবসায়ীকে রক্ষা করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা ইতিমধ্যে জেনেছি,রাজনৈতিক রাঘব বোয়ালরাই তার পক্ষ নিয়ে গ্রাম্য বিচারিক আদালত গঠন করে, এবং সমযোতা ও শান্তি চাই স্লোগান দেয়,সেইসব সুশীলদের ব্যাপারে আমাদের অভিযান চলমান,
কাউকেই ছাড় দেওয়া হবেনা ইনশাআল্লাহ
সমাজ ও প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে এখনই শক্ত হাতে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। আমরা চাই একটি মাদকমুক্ত, যেখানে যুবসমাজ আলোর পথে এগিয়ে যাবে।