মোঃ জিয়াউর রহমান
মফস্বল সম্পাদক রংপুর
দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পরও জনভোগান্তি কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং এর প্রভাব ক্রমেই বিস্তৃত হয়ে পড়ছে খাদ্য উৎপাদন, পোশাক শিল্পসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে। ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে উল্লেখযোগ্য হারে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে চাল, ডাল, তেল, সবজি এবং অন্যান্য খাদ্যসামগ্রীর মূল্য আগের তুলনায় বেশি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় বেড়েছে, যার প্রভাব সরাসরি পড়ছে বাজারে।
খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মতে, কাঁচামাল পরিবহন, বিদ্যুৎ এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তারা বাধ্য হচ্ছেন পণ্যের দাম সমন্বয় করতে। একইভাবে পোশাক শিল্পেও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা রপ্তানি বাজারে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
অন্যদিকে, সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, আয়ের তুলনায় ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তারা চরম চাপের মধ্যে রয়েছেন। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট এই চাপ সামাল দিতে হলে বাজার তদারকি জোরদার করা, পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা আনা এবং উৎপাদন ব্যয় কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।