>মোঃ ইবনে আলী সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার নীলফামারী জেলা
উক্ত ইউনিয়ন পরিষদ মাঠ সরকারি এবং সরকারি গ্রাম ও পুলিশ নজরদারি থাকা, সত্ত্বেও। সন্ধ্যা ছয়টা থেকে শুরু করে রাত্রি দুইটা পর্যন্ত মাদক সেবীদের ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে আনাগোনা হয় বিষয়টি নজরে পড়লে মাদক কারবারীরা ঘটনায়স্থল থেকে সরে যায়। কিন্তু এভাবে একদিন দুইদিন নয় প্রায় প্রতিদিনই ইউনিয়ন পরিষদের গেট থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদের ভেতর ও ইউনিয়ন পরিষদের বাইরের চতুর সাইটে আনাচে-কানাচে প্রকাশ্যে দিবালোকে নেশা বিক্রি করা হয়। উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান মাদক জাতীয় দ্রব্য কে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করলেও রাত্রিকালীন যেন মাদকের বাজারে পরিণত হয়। চেয়ারম্যান অনেক চেষ্টা করার পরেও সেটি ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়। তাই এলাকার যুবক সন্তানদেরকে বাঁচাতে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানাচ্ছি , সৈয়দপুর থানা প্রশাসক , ও,উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে গ্রাম্য পুলিশ ভাইদের ইউনিয়ন পরিষদ মাঠটি রক্ষা করার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।