সৈয়দ হাবিবুর রহমান ইলিয়াস
ব্যাুরো প্রধান সিলেট বিভাগ
বরাবর
অফিসার ইনচার্জ, জৈন্তাপুর মডেল থানা, সিলেট।
বিষয়: অভিযোগ।
বাদী: লাকি আক্তার (২৭), পিতা-আদম আলী খলিফা, সাং-উমনপুর (আতাউর রহমান এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া), ৬নং চিকনাগুল ইউনিয়ন, থানা-জৈন্তাপুর, জেলা-সিলেট (এনআইডি নং-২৩৯৩৪২৪০৪৫)।
বিবাদীঃ আব্দুল মন্নান যে হাম্মান্ন (৪৫), পিতা-মৃত আঃ মালিক,
২| রুবেল মিয়া
পিতাঃ ইন্তাজ আলী
উবয় সাকিনঃ বালিপাড়া থানা জৈন্তাপুর জেলা সিলেট
সাক্ষী গণের ঠিকানাঃ
১। শাহেদ আহমদ (৩৫), পিতা-মৃত নুর মিয়া, সাং-শিকারখা
2,আতাউর রহমান (৭০), পিতা-মৃত হাজী আজিজুর রহমান উমনপুর
3 নাসির উদ্দিন (২৮), পিতা- আবুল হোসেন, সাং-শিকারখা, সর্ব থানা-জৈন্তাপুর, জেলা-সিলেটসহ আরো অনেক লোকজন।
ঘটনার তারিখ ও সময়ঃ গত ২৯/০৬/২০২৬ খ্রি. রাত অনুমান ০৯:০০ ঘটিকা হইতে ০৪/০৭/২০২৬ খ্রি সকাল অনুমান ০৬:০০ ঘটিকার মধ্যবর্তী যেকোন সময়।
ঘটনাস্থল: জৈন্তাপুর থানাধীন ৬নং চিকনাগুল ইউনিয়নের অন্তর্গত উমনপুর সাকিনস্থ (আতাউর রহমান এর বাড়ীর
ভাড়াটিয়া) আমার ভাড়াটিয়া বাসা।
জনাব,
সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী লাকি আক্তার (২৭), পিতা-আদম আলী খলিফা, সাং-উমনপুর, ৬নং চিকনাগুল ইউনিয়ন, থানা-জৈন্তাপুর, জেলা-সিলেট থানায় হাজির হইয়া এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, আমি বর্তমানে উমনপুর সাকিনে আতাউর রহমান এর বাড়ীতে আমার ভাগ্নাকে নিয়া ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করিয়া আসিতেছি। আমার ভাগ্না তার নিজ বাড়ীতে চলে যায়। তখন আমি জরুরী কাজে শরীয়তপুর যাওয়ার সময় আমার আপন মামাতো বোন জামাই ১নং বিবাদী আব্দুল মন্নান হাম্মান্ন এর নিকট আমার বসত ঘরের চাবি দিয়ে জাই গত ২৮/০৬/২০২৬ খ্রি. রাত অনুমান ০৯:০০ ঘটিকার আমার বাড়ী ত্যাগ করে শরীয়তপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। রাস্তা ঘাটের পরিবেশ ভাল না থাকায় আমি আমার স্বর্নালংকার আমার বসত ঘরে স্টিলেরর আলমিরার ড্রয়ের তালাবদ্ধ করে রাখিয়া যাই। পরে ১নং বিবাদী একটি বিবাহের অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করার অজুহাত দেখাইয়া আমার ঘর খালী রেকে গোয়াইনঘাটের যাওয়ার পূর্বে ১নং সাক্ষী শাহেদ আহমদ এর নিকট আমার বসত ঘরের ছাবি জোরপূর্বক দিয়ে গত ০৩/০৭/২০২৬ খ্রি. তারিখ রাত অনুমান ১১:৩০ ঘটি কায় হস্তান্তর করিয় চলে যায়। গত ০৪/০৭/২০২৬ খ্রি. সকাল অনুমান ০৬:৩০ ঘটিকার ১নং সাক্ষী শাহেদ আহমদ চাবি দিয়ে তালা খুলিয়া ঘটনাস্থল জৈন্তাপুর থানাধীন ৬নং চিকনাগুল ইউনিয়নের অন্তর্গত উমনপুর সাকিনস্থ (আতাউর রহমান এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া) আমার ভাড়াটিয়া বাসায় প্রবেশ করিয়া জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখিতে পান। তখন তিনি ১নং সাক্ষী আশপাশের অন্যান্য সাক্ষীসহ আরো লোকজন ডাকিয়া ঘটনাস্থলে নিয়া আসেন। তখন অন্যান্য সাক্ষীরা আসিয়া দেখিতে পান যে, আমার বসত ঘরের পিছনে দরজা খোলা, পিছনে থাকা জানালার লোহার গ্রিল কাটা। পরে দেখিতে পান যে, আমার স্টিলের আলমিরা লক ভাঙ্গা এবং আলমিরা ড্রয়ের লক ভাঙ্গা। তখন ১নং সাক্ষী আমাকে মোবাইল ফোনে ঘটনাটি জানাইলে আমি তাহাকে আমার আলমিরা ড্রয়ের রাখা ০১ টি স্বর্ণের চেইন ওজন ১ ভরি ১২ পয়েন্ট যাহার মূল্য অনুমান ২,৩০,০০০/-টাকা, ০১ টি স্বর্নে আংটি যাহার ওজন ৪ আনার ২ পয়েন্ট মূল্য অনুমান ৬০,০০০/-টাকা, ০২ টি কানের দুল ওজন ৬ আনা মূল্য অনুমান ১,০০,০০০/-টাকা, রূপ ৬ ভরি মূল্য অনুমান ১২,০০০/-টাকা ও ১ টি মুক্তার রকেট মূল্য অনুমান ১২,০০০/-টাকা দেখিতে বলিলে তিনি ও অন্যান্য সাক্ষ্য তল্লাশী করিয়া দেখিত পান যে, বর্ণিত জিনিসপত্র নাই দেখিতে পান বয়ে। তাছাড়া আরো অন্যান্য জিনিসপত্র যাহার মূল্য অনুমান ১০,০০০/-টাকা নাই। পরে আমি উক্ত সংবাদ পাইয়া গত ০৫/০৭/২০২৬ খ্রি. তারিখ সকাল অনুমান ০৮:৩০ ঘটিকার সময় আমার বাসায় আসিয়া বর্নিত ঘটনা দেখি ও সাক্ষীদের মুখে বিস্তারিত ঘটনা শুনি। পরে আমি জানিতে পারি যে, ১ ও ২ নং বিবাদীদ্বয় আমার বসত ঘরে যাত্রীযাপন করে। পরে আমিসহ অন্যান্য সাক্ষীরা ১নং বিবাদীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে সে একেক বার একেক ধরনের কথা বলে। পরবর্তীতে বিষয়টি আমি আমার আত্মীয় স্বজনসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা ১নং বিবাদীকে সাক্ষ্য প্রমানের জন্য ডাকিলে সে না আসিয়া বিভিন্ন ধরনের পায়তারা করিয়া আসিতেছে। আমি বাড়ীতে না থাকার সুযোগে বিবাদীদ্বয় গত ২৯/০৬/২০২৬ খ্রি. রাত অনুমান ০৯:০০ ঘটিকা হইতে ০৪/০৭/২০২৬ খ্রি. সকাল অনুমান ০৬:৩০ ঘটিকার মধ্যবর্তী যেকোন সময় আমার বসত ঘর হইতে বর্ণিত মালামাল চুরি করিয়া নিয়া যায়। আমি চোরাই মালামাল উদ্ধারের চেষ্টায় ব্যর্থ হইয়া থানায় আসিয়া অভিযোগ দায়ের করিতে বিলম্ব হইল।
অতএব, মহোদয় উক্ত বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে আপনার সদয় মর্জি হয়।
বিনীত (লাকি আক্তার)
জৈন্তাপুর থানা ও
মিডিয়া অবগত