• শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বান্দরবান জেলা কার্যালয়ে বাইশারী বাজার রিসোর্স সেন্টারে মৌখিক ভাবে দায়িত্ব প্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত কেয়ার টেকার সোনা মিয়ার বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্য অনিয়ম দুর্নীতির লিখিত অভিযোগ। স্কুল ছুটি, টয়লেটে আটকা পড়ল তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী! নারী হাফেজাকে সংবর্ধনা দিতে মাইক্রোবাসের বহর মাজার ভাঙচুর-হত্যার ঘটনায় এনসিপির বিবৃতি রংপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ইন-সার্ভিস ট্রেনিং ও গুণীজন সম্মাননা অনুষ্ঠিত হবিগঞ্জে বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রট সমন্নয়ে গঠিত টাস্কর্ফোস। ভারত থেকে এলো আরও ৮ হাজার টন ডিজেল এতদিন কোথায় ছিলেন’, নেতাকর্মীদের তোপের মুখে কনকচাঁপা বিএনপি গণতন্ত্র বিরোধী সরকার : নাহিদ ইসলাম আলোচিত জুলাইযোদ্ধা সিঁথি নিলেন নারী আসনের বিএনপির মনোনয়ন

নারী হাফেজাকে সংবর্ধনা দিতে মাইক্রোবাসের বহর

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ / ১৬ Time View
Update : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ

পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে ২ বছরের মধ্যে হাফেজা হয়েছেন পঞ্চগড়ের চাকলাহাট এলাকার ফাতেমা আক্তার (১৪) নামের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। তাকে সম্মান জানাতে আয়োজন করা হয় সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠান। পরে মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল বহরের মাধ্যমে তাকে রাজকীয়ভাবে বাড়িতে নিয়ে যায় এলাকার মানুষ।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে পঞ্চগড় সদরের চাকলাহাট এলাকার হাবিবা জান্নাত মদিনাতুল উলুম বালিকা মাদরাসায় এ সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জানা গেছে, ফাতেমা আক্তার পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের বকশিপাড়া গ্রামের আব্দুল করিমের মেয়ে। ২০২৪ সালের মার্চ মাসে ফাতেমা ওই মাদরাসায় ভর্তি হয়। মাত্র দুই বছরের মধ্যেই সে কোরআনের হিফজ সম্পন্ন করে হাফেজা হয়।

অনুষ্ঠানে ফাতেমাকে ফুলের মালা পরিয়ে তাকে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তুলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকসহ অভিভাবকেরা। এ সময় হাফেজার বাবা ও মাকেও সংবর্ধিত করা হয়।

পরে একটি সুসজ্জিত মাইক্রোবাসে বসিয়ে কয়েকটি মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল বহরের মাধ্যমে তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

এদিকে ফাতেমার গ্রামবাসীও তাকে বরণ করে নিতে বাড়ির সামনে রাস্তা থেকে বাড়ি পর্যন্ত গেট তৈরি করে। গ্রামের নারীরা ফুলের মালা দিয়ে তাকে বরণ করে নেন। পরে তাদের বাড়িতে আয়োজন করা হয় মিলাদ মাহফিল।

ফাতেমা আক্তার বলেন, আমাদের মাদরাসার শিক্ষকরা অনেক দক্ষ। তারা আমাদের খুব যত্নসহকারে পড়ান। এজন্যই আমি দুই বছরে কোরআনের হাফেজা হতে পেরেছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি বড় হয়ে একজন আলেমা হতে চাই।

ফাতেমার বাবা আব্দুল করিম বলেন, এই মাদরাসার পরিবেশ খুব ভালো। অল্প সময়ের মধ্যে আমার মেয়ে ৩০ পারা কোরআনের হাফেজা হয়েছে, এজন্য আমরা অনেক খুশি। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।

মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক হাফেজ মো. আব্দুস সালাম বলেন, ২০২৩ সালে হাবিবা জান্নাত মদিনাতুল উলুম বালিকা মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ফাতেমা অত্যন্ত মেধাবী হওয়ায় দুই বছরেই কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে হাফেজা হয়েছে। বর্তমানে মাদরাসায় ৬৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। আগামী তিন-চার মাসের মধ্যে আরও চারজন শিক্ষার্থী হেফজ সম্পন্ন করবে।

চাকলাহাট কেপি আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ এ আর এম শহিদুল ইসলাম বলেন, মাদরাসাটিকে ধন্যবাদ জানাই। তারা নারীদের ইসলামিক শিক্ষা দিয়ে হাফেজা হিসেবে তৈরি করছে। আজকের অনুষ্ঠানে ফাতেমা সুন্দরভাবে কোরআন তেলাওয়াত করেছে। আমরা তার জন্য প্রাণ খুলে দোয়া করি। আল্লাহ যেন তাকে কোরআনের খাদেম হিসেবে কবুল করেন এবং কোরআনের আলো গ্রামেগঞ্জে ছড়িয়ে দেওয়ার তাওফিক দেন।

https://www.effectivegatecpm.com/sz11hqzp?key=daa134d58a5bc14521e781ad3175ad31

আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category