• সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
Headline
মেহেদী হত্যা, লেখকঃ খাইরুল ইসলাম সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকারকে চান সর্বস্তরের জনগণ। ইউপি চেয়ারম্যানের বাহিনী কর্তৃক হামলার শিকার চ্যানেল ওয়ান’র রিপোর্টার অপু দিনদুপুরে মাদক ও ইভটিজিংয়ের আখড়া আলীকদমের থানচি সড়ক সংলগ্ন ফয়েজের দোকান: ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পায়রাবন্দে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত সন্ধ্যা হলে যেন মাদক সেবীদের জন্য উন্মুক্ত স্থান ইউনিয়ন পরিষদ মাঠ। গৌরনদীতে চালকের চোখে ঘুম, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকআপ খাদে উল্টে আহত ২ ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে উত্তর ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন, সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণের জোর দাবি মনোহরদীর পাঁচকান্দিতে ব’জ্র’পাতে মাদরাসার ৩ শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃ’ত্যু – আহত ১ নরসিংদীর *ফুটপাত দখল: কোটিপতির বাগান, *জন সাধারণের অধিকার নিয়ে তামাশা বন্ধ হোক*

সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিজের সাফল্যের গল্প বলতে গিয়ে ভারতীয় প্রবাসী আনাস আবদুল লতিফ একটি বিশেষ ঘটনার কথা স্মরণ করেন।

মো লুৎফুর রহমান রাকিব আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি / ২৮ Time View
Update : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

মো লুৎফুর রহমান রাকিব আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি

২০১৪ সালে তাঁর ছোট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হ্যাশ ইনক্লুড একটি সরকারি প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিতে চেয়েছিল। কিন্তু টেন্ডার ডকুমেন্ট কেনার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৫০ দিরহাম, যা তখন তাঁর কাছে ছিল না। বাধ্য হয়ে তিনি মায়ের কাছে সাহায্য চান এবং মা তাঁকে সেই অর্থ ধার দেন।

আজ লতিফ মনে করেন, ওই ৩৫০ দিরহামই ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। কারণ সেই ছোট সহায়তাই তাঁর উদ্যোক্তা জীবনের পথ খুলে দেয়।

যদিও তাঁর UAE-র সঙ্গে পরিচয় শৈশব থেকেই, বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষে ২০০৮ সালে তিনি দুবাইয়ে ফিরে আসেন নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু শুরুটা ছিল কঠিন। কোনো ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক বা আর্থিক সহায়তা ছাড়াই তাঁকে নতুন জীবন শুরু করতে হয়।

প্রথমদিকে তিনি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন। বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করতে গিয়ে তিনি UAE-এর কর্মসংস্কৃতি, প্রতিযোগিতা এবং সুযোগের বাস্তবতা সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। আবুধাবি ট্যুরিজম অথরিটির একটি প্রকল্পে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে একটি ইভেন্ট প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার অভিজ্ঞতা তাঁকে শিখিয়েছে যে এই দেশে ফলাফলই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথে তাঁকে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হয়েছে। প্রযুক্তিগত দক্ষতা থাকলেও গ্রাহকদের আস্থা অর্জন এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়টি তাঁকে নতুন করে শিখতে হয়েছে।

বর্তমানে লতিফ বিশ্বাস করেন, প্রযুক্তির চেয়ে মানুষ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই তিনি তরুণ উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কাজ করেন।

তাঁর গল্প প্রমাণ করে, জীবনের বড় সাফল্য অনেক সময় ছোট একটি সুযোগ বা পরিবারের একজন মানুষের বিশ্বাস থেকেই শুরু হয়। ৩৫০ দিরহামের সেই ঋণ আজও তাঁর কাছে আস্থা, পরিশ্রম ও স্বপ্নপূরণের প্রতীক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category