লেখক :- এম এ সাকিব খন্দকার
এই দেহখানি মাটির ঘর, রহস্যে ভরা দ্বার,
ভিতরে লুকায় অমৃতসাগর, বাইরে অন্ধকার।
মন যে আমার পথের যাত্রী, খোঁজে আপন ঠাঁই,
নিজেকে চিনার সাধনাতে যুগের পর যুগ যাই।
দেহের মাঝে দেহাতীত এক অচেনা সুর বাজে,
সেই সুর শুনে সাধক কাঁদে নির্জন রাতের মাঝে।
চোখের ভিতর আরেক চোখে জ্বলে অনন্ত আলো,
সেই আলোরই সন্ধান পেয়ে মন হয় উজালো।
নিঃশ্বাসে আসে, নিঃশ্বাসে যায় অদেখা এক বাণী,
যে বুঝেছে সে পেয়েছে তার চিরসত্যের টানি।
এই দেহমন্দির সাধনক্ষেত্র, গুরু দিয়েছেন জ্ঞান,
নিজের মাঝে খুঁজতে হবে পরম সত্যের স্থান।
লোভের শিকল, মোহের বেড়া যত ভাঙা যায়,
ততই হৃদয় আকাশ হয়ে অসীম পথে ধায়।
সাধক তখন নীরব হয়ে শুনে অন্তর ডাক,
দেহের মাঝে স্রষ্টার নূর জাগে অবিরাম পাক।
আমি খুঁজি সেই চিরসাথী, রক্তের প্রতিটি কণায়,
তাঁরই প্রেমে ভিজে থাকে প্রাণ গভীর ব্যাকুলতায়।
দেহের মাঝে দেহের খবর, জানে না কত জন,
নিজেকে যে চিনতে পারে, সেই তো মহাজন।