• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
Headline
বৈরাগীগঞ্জে যাত্রী ছাউনি নামে মহাসড়কের ফুটপাত দখল, সৃষ্টি হতে পারে তিব্র যানজট। সৈয়দপুরে ট্রাকের ধাক্কায় সাইকেল আরোহী নিহত, পরিচয় শনাক্তের আহ্বান ‎ঢাকায় পকেট ফাঁকা করছে ভাতের হোটেল, দুশ্চিন্তায় মধ্যবিত্ত* মহিপুর ড্যাফোডিল আইডিয়াল স্কুলে উৎসবমুখর পরিবেশে মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন করলিয়ামুরা এগ্রোফার্মের পাহাড়ি খাসজমি নিয়ে মুখোমুখি দুই পক্ষ—ভাঙচুরের অভিযোগ,নষ্ট ১০ হাজার রাবার চারা, ক্ষতি ৪৫ লাখ টাকা; পাল্টা দাবি অভিযুক্তের আদালতে মামলা। নরসিংদীর মনোহরদীতে ডিমের পিক-আপ ডাকাতির সময় গ্রেফতার-৫ সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ভর্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ ১০ বছরের উন্নয়ন ও জনসেবা অব্যাহত রাখতে পুনরায় ইউপি মেম্বার পদে দোয়াপ্রার্থী মোঃ রবিউল ইসলাম মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সোচ্চার সৈয়দপুরের অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী রাইয়ান ঠাকুরগাঁওয়ে ইয়াবা সহ দ্বীন ইসলাম নামে( ১)জন মাদক ব্যবসায়ী আটক! 

একের পর এক হাব বন্ধ হচ্ছে দারাজের

ডেস্ক রিপর্ট / ৬৬ Time View
Update : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কঠিন সময় পার করছে চীনভিত্তিক ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবার মালিকানাধীন দারাজ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের শীর্ষ ই-কমার্স মার্কেটপ্লেসটি নিজেদের একের পর এক ‘হাব’ বন্ধ করছে। গত ফেব্রুয়ারিতে দেশজুড়ে থাকা বিভিন্ন হাব বন্ধ করা শুরু করে দারাজ বাংলাদেশ।

সবশেষ তথ্যমতে, ঢাকাসহ ১৩টি জেলায় থাকা ৪০টিরও বেশি হাব বন্ধ করেছে দারাজ। এতে বিপাকে পড়েছেন দারাজের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করা ব্যবসায়ী তথা মার্চেন্টরা।

বাংলাদেশসহ নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার ও পাকিস্তানে থাকা দারাজ গ্রুপে বিনিয়োগ বন্ধ করছে আলিবাবা। এসব বাজারে দারাজের কার্যক্রম পরিচালনায় আর কোনো ভর্তুকি দেবে না জ্যাক মার প্রতিষ্ঠানটি। এ জন্য দারাজ গ্রুপে নিজেদের আয় দিয়েই চলতে হবে। ফলে ব্যয় সংকোচন নীতিতে চলছে দারাজ। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশেও দারাজ ‘অপারেশন’ সীমিত করা হচ্ছে।

ব্যয় সংকোচন নীতির আলোকে বাংলাদেশে থাকা হাবের সংখ্যা কমাচ্ছে দারাজ। সাধারণত একটি নির্দিষ্ট এলাকায় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য হাব চালু করা হয়।

দারাজের ডেলিভারি ও অপারেশন্স বিভাগ সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের মতে, দেশজুড়ে প্রায় ১০০টি হাব রয়েছে দারাজের। হাব হচ্ছে এমন একটি স্থান, যেখানে মার্চেন্টদের থেকে পণ্য বা পার্সেল সংগ্রহ করা হয়। আবার হাবের আওতাধীন এলাকায় সাধারণ গ্রাহকদের কাছে পার্সেল ডেলিভারি কার্যক্রমও এখান থেকে পরিচালিত হয়।

 

 

সূত্র আরও জানায়, গত ফেব্রুয়ারিতে দারাজের অন্যতম বড় রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বরের হাবটি বন্ধের মাধ্যমে দারাজের হাব বন্ধের শুরু। এরপর একে একে ৪০টিরও বেশি হাব বন্ধ হয়েছে। দারাজের পক্ষ থেকে মার্চেন্টদের দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব হাব বন্ধের তথ্য জানানো হয়। একাধিক মার্চেন্ট বিষয়টি এশিয়া পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন। তাদের বিবৃতি দেওয়ার বিষয়টি দারাজ বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও এশিয়া পোস্টকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিগত এক সপ্তাহেই ১২টির বেশি হাব বন্ধ হয়েছে। এর মাঝে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ তিনটি চকবাজার-২, পল্টন এবং সাভারের বিদ্যমান হাব বন্ধ করা হয়েছে। এসব এলাকার মার্চেন্টদের বিকল্প হিসেবে চকবাজার-১, মালিবাগ এবং সাভারের নতুন ঠিকানায় পার্সেল পাঠাতে বা জমা করতে বলেছে দারাজ।

এসব হাবে পার্সেল দেন এমন কয়েকজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, নতুন হাবের আকার আগের তুলনায় ছোট। রাজধানীর তিনটি হাব বন্ধ করে বিকল্প হাবের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হলেও, ঢাকার বাইরে বন্ধ হওয়া হাবগুলোর বেশির ভাগেরই কোনো বিকল্প এখনো দেওয়া হয়নি মার্চেন্টদের।

 

 

জানা যায়, রাজধানীর বাইরে বগুড়া, রংপুর, কুষ্টিয়া, বরিশাল, রাজশাহী, টাঙ্গাইল, বাগেরহাট, ময়মনসিংহ, জামালপুর, ফরিদপুর, মৌলভীবাজার ও সিরাজগঞ্জে থাকা হাব বন্ধ করেছে দারাজ বাংলাদেশ।

হাব বন্ধের ফলে স্থানীয় মার্চেন্টরা যেমন বিপাকে পড়েছেন, তেমনি বিপাকে পড়েছেন হাবগুলোর কর্মীরা। বেশির ভাগ স্থায়ী কর্মীকে ইতোমধ্যে ছাঁটাই করেছে দারাজ বাংলাদেশ। আর হাবে কর্মরত ফ্রিল্যান্সার বা চুক্তিভিত্তিক কর্মীদেরও (ডেলিভারি ম্যান, রাইডার, যানবাহন চালক ইত্যাদি) সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে দারাজ বাংলাদেশের কমিউনিকেশন্স বিভাগে যোগাযোগ করা হলে লিখিত বক্তব্য দেওয়া হবে বলে দৈনিক বাংলা প্রতিদিন কে জানানো হয়। তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে সংবাদটি হালনাগাদ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category