• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
Headline
সুস্থ শিশুকে প্রতিবন্ধী সাজিয়ে জেলা পরিষদের প্রশাসককে ধোকা :মিঠাপুকুর পায়রাবন্দ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় নজিরবিহীন জালিয়াতি ‎ মডার্ন মোড় থেকে ঘাঘট নদীর তীর—ব্যবসায়ী অপহরণে চাঁদাবাজির অভিযোগ, গ্রেফতার পপি বৈরাগীগঞ্জে ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন চান এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নতুন সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগদান করেছেন বিশ্বনাথে দশঘর ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মধু মিয়ার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আশুলিয়ায় শ্রমিক পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্র্যানেড নিক্ষেপ গোপালগঞ্জে ১৪ শিক্ষক, পরীক্ষার্থী মাত্র একজন; এইচএসসিতে পাসের হার শূন্য পরাজিত শক্তি দেশ অস্থিতিশীল করতে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে উসকানি: সিলেটে রিজভী  ১৯ বছর পর বই হাতে, এইচএসসিতে সফল গৃহিণী আফরোজা আক্তার মেরীনরসিংদীতে তাহিরপুর শাহ আরেফিন মাজার নিয়ে দুই পক্ষ মুখোমুখি প্রশাসন নীরব।

একের পর এক হাব বন্ধ হচ্ছে দারাজের

ডেস্ক রিপর্ট / ১৩৩ Time View
Update : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কঠিন সময় পার করছে চীনভিত্তিক ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবার মালিকানাধীন দারাজ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের শীর্ষ ই-কমার্স মার্কেটপ্লেসটি নিজেদের একের পর এক ‘হাব’ বন্ধ করছে। গত ফেব্রুয়ারিতে দেশজুড়ে থাকা বিভিন্ন হাব বন্ধ করা শুরু করে দারাজ বাংলাদেশ।

সবশেষ তথ্যমতে, ঢাকাসহ ১৩টি জেলায় থাকা ৪০টিরও বেশি হাব বন্ধ করেছে দারাজ। এতে বিপাকে পড়েছেন দারাজের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করা ব্যবসায়ী তথা মার্চেন্টরা।

বাংলাদেশসহ নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার ও পাকিস্তানে থাকা দারাজ গ্রুপে বিনিয়োগ বন্ধ করছে আলিবাবা। এসব বাজারে দারাজের কার্যক্রম পরিচালনায় আর কোনো ভর্তুকি দেবে না জ্যাক মার প্রতিষ্ঠানটি। এ জন্য দারাজ গ্রুপে নিজেদের আয় দিয়েই চলতে হবে। ফলে ব্যয় সংকোচন নীতিতে চলছে দারাজ। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশেও দারাজ ‘অপারেশন’ সীমিত করা হচ্ছে।

ব্যয় সংকোচন নীতির আলোকে বাংলাদেশে থাকা হাবের সংখ্যা কমাচ্ছে দারাজ। সাধারণত একটি নির্দিষ্ট এলাকায় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য হাব চালু করা হয়।

দারাজের ডেলিভারি ও অপারেশন্স বিভাগ সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের মতে, দেশজুড়ে প্রায় ১০০টি হাব রয়েছে দারাজের। হাব হচ্ছে এমন একটি স্থান, যেখানে মার্চেন্টদের থেকে পণ্য বা পার্সেল সংগ্রহ করা হয়। আবার হাবের আওতাধীন এলাকায় সাধারণ গ্রাহকদের কাছে পার্সেল ডেলিভারি কার্যক্রমও এখান থেকে পরিচালিত হয়।

 

 

সূত্র আরও জানায়, গত ফেব্রুয়ারিতে দারাজের অন্যতম বড় রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বরের হাবটি বন্ধের মাধ্যমে দারাজের হাব বন্ধের শুরু। এরপর একে একে ৪০টিরও বেশি হাব বন্ধ হয়েছে। দারাজের পক্ষ থেকে মার্চেন্টদের দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব হাব বন্ধের তথ্য জানানো হয়। একাধিক মার্চেন্ট বিষয়টি এশিয়া পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন। তাদের বিবৃতি দেওয়ার বিষয়টি দারাজ বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও এশিয়া পোস্টকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিগত এক সপ্তাহেই ১২টির বেশি হাব বন্ধ হয়েছে। এর মাঝে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ তিনটি চকবাজার-২, পল্টন এবং সাভারের বিদ্যমান হাব বন্ধ করা হয়েছে। এসব এলাকার মার্চেন্টদের বিকল্প হিসেবে চকবাজার-১, মালিবাগ এবং সাভারের নতুন ঠিকানায় পার্সেল পাঠাতে বা জমা করতে বলেছে দারাজ।

এসব হাবে পার্সেল দেন এমন কয়েকজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, নতুন হাবের আকার আগের তুলনায় ছোট। রাজধানীর তিনটি হাব বন্ধ করে বিকল্প হাবের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হলেও, ঢাকার বাইরে বন্ধ হওয়া হাবগুলোর বেশির ভাগেরই কোনো বিকল্প এখনো দেওয়া হয়নি মার্চেন্টদের।

 

 

জানা যায়, রাজধানীর বাইরে বগুড়া, রংপুর, কুষ্টিয়া, বরিশাল, রাজশাহী, টাঙ্গাইল, বাগেরহাট, ময়মনসিংহ, জামালপুর, ফরিদপুর, মৌলভীবাজার ও সিরাজগঞ্জে থাকা হাব বন্ধ করেছে দারাজ বাংলাদেশ।

হাব বন্ধের ফলে স্থানীয় মার্চেন্টরা যেমন বিপাকে পড়েছেন, তেমনি বিপাকে পড়েছেন হাবগুলোর কর্মীরা। বেশির ভাগ স্থায়ী কর্মীকে ইতোমধ্যে ছাঁটাই করেছে দারাজ বাংলাদেশ। আর হাবে কর্মরত ফ্রিল্যান্সার বা চুক্তিভিত্তিক কর্মীদেরও (ডেলিভারি ম্যান, রাইডার, যানবাহন চালক ইত্যাদি) সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে দারাজ বাংলাদেশের কমিউনিকেশন্স বিভাগে যোগাযোগ করা হলে লিখিত বক্তব্য দেওয়া হবে বলে দৈনিক বাংলা প্রতিদিন কে জানানো হয়। তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে সংবাদটি হালনাগাদ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category