• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
Headline
বালারহাটে বিষাক্ত মদ পানে আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫ ‎ঈদযাত্রায় গৌরনদীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩, আহত ২৩; চার লেনের দাবি জোরালো শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আগৈলঝাড়ায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আগৈলঝাড়ায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। রংপুর কোতোয়ালি থানা ও ধাপ পুলিশ ফাঁড়ি পরিদর্শনে পুলিশ কমিশনার পটুয়াখালীতে ৫১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক ইতিহাস, ঐতিহ্য ও প্রত্নতত্ত্বের নগরী নরসিংদী নিয়ে নির্মিত বিনোদন মূলক ম্যাগাজিন “ইত্যাদি” প্রচারিত হবে ৫ জুন, শুক্রবার। জনগণ ঘুমিয়ে থাকার সময়ে তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে : শফিকুর রহমান চাচাতো-খালাতো-মামাতো বোনকে বিয়ে করলে কী হয়, সতর্কবার্তা দিলেন গবেষকরা মিঠাপুকুরের বড়বালা ইউনিয়নে দিনব্যাপী গণসংযোগে এমপি অধ্যাপক গোলাম রব্বানী

নীরব ঘাতক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিশেষ্য মিশনে পদয়নে জোর লবিং

নিউজ ডেস্ক: দৈনিক বাংলা প্রতিদিন / ৫৬ Time View
Update : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক: দৈনিক বাংলা প্রতিদিন

নীরব ঘাতক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিশেষ্য মিশনে পদয়নে জোর লবিং।সাবেক ছাত্রলীগের নেতা আওয়ামী লীগের কোটায় চাকুরী পাওয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়! বতর্মানে বিএনপির মুখোশ পরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেটের সদস্যদের এখন বিদেশে যাবার মিশনের জোরালো তদবির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে।বর্তমান সচিবালয়ের কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যই বিএনপির মুখোশ পরেছে এই আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেটের সদস্যরা এরা সকলেই সাবেক ছাত্রলীগের নেতা ও আওয়ামী লীগের পরিবারের সন্তান এবং আওয়ামী লীগের কোটায় চাকুরী পাওয়া কর্মকর্তা । রাষ্ট্র পরিচালনা করতে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা এবং বিভিন্ন উপায় অর্থ উপার্জন করা তাদের প্রধান লক্ষ্যে।এরা নিষিদ্ধ আওয়ামী ফ্যাসিবাদের কোটায় চাকুরী পায় ছাত্রলীগের রাজধানীর সাথে জড়িত থাকার সুবাদে। চাকুরির পরে গোয়েন্দা দ্বারা যে তদন্ত হয় সেই প্রতিবেদনেই তা উল্লেখ রয়েছে।

এদিকে জানাযায়,আল কামার শেরপুর বয়েস কলেজে পড়াশুনা করে তার বাবাও আওয়ামীলীগের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন।
আব্দুল সাত্তার ছনকান্দা
আল কামার দুই ভাই, বোনেরও সরকারী চাকরী হয়েছে।তিন মেয়ে দুই ছেলে, ১ মেয়ে হাফেজা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০২৫ আগষ্টের, চাকুরী হয় মাস্টার রুলে।ভাই মাধ্যমে চাকুরী হয়।পরে স্থায়ী করার আশায়।তার
বড় আলমাস, আল কামার, হাজিলা, হাফিজা,হাফেজা পাচ ভাই,বোন।
আনন্দ মোহন থেকে মাস্টার্স, শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে অনার্স শেষ করে। ইন্টার মিডিয়েট ও শেরপুর থেকে।২০১৪ সালে ভোট বিহীন সরকার গঠন করে আবার ক্ষমতায় আসেন আওয়ামী লীগ।সে সময় শেরপুর জেলায় ছাত্র লীগের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করার করনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ২০১৬ সালে চাকুরী হয়।চাকুরীতে ছাত্র লীগের প্রত‍্যায়ন ও সাবেক মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর সুপারিশ থাকার কারণে আওয়ামী লীগের দলীয় কোটায় চাকুরী হয়।আওয়ামী লীগের এমপিও সাবেক মোহাম্মদ আতিকের নিকট আত্মীয় আল কামার আলী।

অন্য দিকে জানাযায়,২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শেরপুরে ৫ জন নিহত হন। এর মধ্যে গুলিতে ও সরকারি গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে তিনজন শিক্ষার্থী (সবুজ মিয়া, মাহবুবুর রহমান ও শারদুল আশিষ) নিহত হওয়ার ঘটনাটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

নিহতদের ধরন:শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশের গাড়িচাপায় তিনজন, গুলিতে এক ছাত্রীসহ মোট পাঁচজন নিহত হন।

মামলা ও অভিযোগপত্র:আন্দোলনরত ছাত্র হত্যার ঘটনায় দায়ের করা পৃথক মামলায় বিচারকাজ ও তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে অনেককে আসামি করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রশাসনিক কর্মকর্তাআল কামার আলী এই মামলা নিয়ে বিভিন্ন তদবির বাণিজ্য করে নাম কর্তন , নাম দেয়া থেকে শুরু করে সকল কার্যক্রম চালিয়েছেন বলে তার এলাকা থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।অনেক আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের নাম বাদ দেওয়ার মিশন সাকসেস হয়েছেন।বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

শেরপুর জেলা ছাত্র দলের সভাপতি নাইম হাসান উজ্জ্বল বলেন,২০১৪ সালে ছাত্র লীগের সভাপতি মনি,সেক্রেটারী সম্রাটের কমিটির ছাত্র লীগের নেতা ছিলেন। ছাত্র লীগের প্রত‍্যায়ন ও সাবেক মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর সুপারিশে চাকুরী হয়।আল কামার আলী,পিতা-হানিফ,উদ্দিন,মাতা-,আলেছা খাতুন,গ্রাম ও পোস্ট- ছনকান্দা,থানা ও জেলা- শেরপুর।চাকরি-স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রশাসনিক কর্মকর্তা।

শেরপুর সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ আল কোরাইশী বলেন,আল কামার আলী আমাদের কলেজে ইংরেজি বিভাগের ছাত্র ছিলেন। তখন তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। আমাদের ছাত্র দলের ভাইদের উপর হামলা মামলার সহযোগী করেছেন। এটা সকলের জানা রয়েছে। এখন তিনি বিএনপি দাবি যদি করে থাকেন তাহলে সেটা তার কু-কর্ম ঢাকার জন্য করেছেন।

অন্য এদিকে জানাযায়,গাজী গোলাম সারোয়ার কবির,সাবেক ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগ সভাপতি,বাড়ী মাদারীপুর।সাইফুল ইসলাম সোহাগ সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি,তার বাড়ী মাদারীপুর।তাদের আনুগত্য প্রকাশ করে ছাত্র রাজনীতি করেন। মাদারীপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের অন্যতম নেতা ছিলেন সাইফুল ইসলাম।তাই কলেজ জীবনেই সরকারি চাকুরী নামক সোনার হরিণ পাওয়ার সুযোগ আসে সেই সুযোগ লুফে নেন।আওয়ামী লীগের কোটায় আওয়ামী লীগের পরিবারের সন্তান ছাত্রলীগ সাইফুল ইসলামের চাকুরী হয়।পরবর্তীকালে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দু গ্রুপে আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে হামলা হয়।এতে নুরামিন নামক এক আওয়ামী লীগের নেতাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার খবর এলাকায় ছরিয়ে পরলে হামলা কারিদের ঘর বাড়ি অন্য গ্রুপ আগুন দিয়ে দেন। এসময়
মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের
পিতা- মোহাম্মদ টিপু সুলতানের বসত ঘরও আগুন দিয়ে পুরে ফেলে। হামলার সময় তিনি নিজে সরাসরি উপস্থিত থেকে হামলা করে।

হাজির-হাওলা গ্রামের ২৭ জন হত্যা মামলার আসামী হলেও নুরামিনের (হত‍্যা)ভাই জাকির(বাদী) কে উপরের নির্দেশে মোহাম্মদ টিপু সুলতানের নাম বাদ দেওয়া হয়। এই বলে যে তার ছেলে ছাত্র লীগের নেতা বতর্মানে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চাকরি করে। তাকে জরালে তোমার ভাইয়ের হত্যার বিচার পাবে না। তার নাম না থাকলে তাদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাবে। পরবর্তীকালে ছাত্র জনতার গণঅভ‍্যুথানের সময় আওয়ামী লীগ ও পুলিশের হামলায় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছেন।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মাদারীপুরে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:

দীপ্ত দে (২২): তিনি মাদারীপুর সরকারি কলেজের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ১৮ জুলাই শহরের শকুনী লেকের পাড়ে পুলিশের হামলায় প্রাণ বাঁচাতে লেকে ঝাঁপ দিলে পানিতে ডুবে তিনি নিহত হন।

সন্নামাত: ১৯ জুলাই মাদারীপুর পৌর শহরের যুব উন্নয়ন অফিসের সামনে ছাত্রলীগ ও পুলিশের সাথে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের সময় তিনি গুলিতে নিহত হন।

রোমান বেপারী: তিনিও মাদারীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত হন।

এই ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল, শাজাহান খানসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের নামে একাধিক মামলা করা হয়েছে।
সেখানে দীপ্ত দে (২২) হত্যা মামলায় নুরামিন হত্যা মামলার বাদী জাকির কে আসামি করা হয়েছে
মোহাম্মদ টিপু সুলতান ছেলে সাইফুল ইসলামের ইন্ধোনে। যিনি
বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে রয়েছেন। ছাত্র হত্যা মামলা কে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যই প্রশাসনে ওতপেতে থাকা ছাত্র লীগের নেতারা গোপনে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। আর সকলের সামনে বিএনপি হবার চেষ্টা করছেন।

অন্য দিকে জানায, মামলা থেকে বাবাকে বাচাতে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেন।

আওয়ামীলীগের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হামলায় সরাসরি সাইফুলের বাবা জড়িত বলে এলাকাবাসী জানায়।

আওয়ামীলীগের আধিপাত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হামলায় সরাসরি সাইফুলের বাবা জরিত থাকার ঘটনা সত্যেও হত্যা মামলায় নাম নেই তার একটি ও এলাকার মানুষের কথা।

উপর মহলের নির্দেশেই নাম সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে জানান বাদি।

ছাত্র হত্যা মামলায় বাদিকে জড়িয়ে হত্যা মামলাটি তুলে নেয়ার চেষ্টা সাইফুলের একথা বলেন হত্যা মামলার বাদির।

সাবেক ছাত্রলীগের নেতা ! আওয়ামী লীগের পরিবারের সন্তান, আওয়ামী লীগের কোটায় চাকুরী পাওয়া সাইফুল ইসলাম এখন বিএনপি পন্থি বলে সব স্থানে নিজেকে পরিচয়দেন।
মিশনের তালিকায়ও রয়েছে তার নাম একাধিক সুত্রের দাবি।

এদিকে জানাযায়,মোঃ সাইফুল ইসলাম
গ্রাম- মোল্লাপুর
পোস্ট অফিস- নিদলপুর
থানা- বিয়ানীবাজার
জেলা- সিলেট।
চাকরি -স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়. ব্যক্তিগত কর্মকর্তা।
তার বাবা আ: মজিদ বিয়ানীবাজার উপজেলার (গণ সাস্থ‍্য অধিদপ্তরের বিয়ানীবাজার উপজেলার
চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ছিলেন।
মোল্লাপুর প্রায় ১৫ বছর যাবৎ চাকুরীর সুবাদে
ভাড়া বাড়িতে থাকেন।তার ছয় ছেলে
মোহায়ের হোসেন খোকন প্রবাসী।
মো মনির হোসেন, বিজিবি চাকুরী করেন।
ওমর ফারুক হোসেন প্রবাসী।
বাবুল হোসেন প্রবাসী।
আরুফ হোসেন কি করেন তা জানাযায়নি
সাইফুল ইসলাম সবার ছোট ভাই।বিলাত প্রবাসীর বাসা দেখা শুনা করার কারনে আ:মজিদে ছেলেকে বিলাত নিয়ে যায় তখন থেকেই তাদের অর্থনৈতিক চাকা ঘুরতে শুরু করে একে একে তিন জন প্রবাসে পারিজমান। সাইফুল ইসলাম পরবর্তীকালে নুরুল ইসলাম নাহিদ (সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর আস্থাভাজন ও সিলেট সরকারি কলেজের ছাত্র লীগের নেতা ছিলেন। হোস্টেল থেকে লেখাপড়া করেন ।সাইফুল ইসলাম ২০১৬/১৭ সালে জমি ক্রয় করে বাড়ি করেন।বিয়ানীবাজার উপজেলার
নয়াগ্রামে বাড়ি করছেন।
মুল বাড়ি কুমিল্লায়।২০১৪ সালে জেলা কোটায় সিলেট জেলা কোটায় চাকুরী নেন। আওয়ামী লীগের দলীয় কোটায় আওয়ামী লীগের পরিবারের লোক ছাত্র লীগ নেতা হিসাবে চাকুরী হয়।
তার বাবার সরকারী চাকরীর সুবাদে এখানে (মোল্লাপুর) এসেছে।
যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন সেই বাড়ি পরিচিতি (ওয়েজ খান নান্নু পিতা দুদু মিয়া)।
মাহফুজ বাড়িয়ালা।আ: মজিদ
মোল্লাপুর প্রায় ২০ বছর যাবৎ
ভাড়া বাড়িতে থাকেন
বাবুল / ওমর ফারুক দুই ভাই
নয়াগ্রাম বাড়ি করছে
মুল বাড়ি কুমিল্লা
তার বাবার সরকারী চাকরীর সুবাদে এখানে (মোল্লাপুর) এসেছে।
যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন সেই বাড়ি পরিচিতি (ওয়েজ খান নান্নু পিতা দুদু মিয়া)।
মাহফুজ বাড়িয়ালা।

মাহফুজ বলেন,মোল্লাপুরে ১৫/১৬ বছর ছিলেন,
সাইফুল নয়াগ্রামে ২০১৭ সালে বাড়ি করেন। আমার নানা ছিলেন লন্ডন প্রবাসী হাজী সিরাজ উদ্দিন।তাই আমার নানার বাড়ি সাইফুলের বাবা দেখা শুনা করত।

প্রসাশনিক মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে,যারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের নিচে বঙ্গবন্ধুর কর্নার ও শেখ রাসেলের কর্নার তৈরি করে নিয়মিত ফুল দিত। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় কল্যাণ সমিতির নামে একটি সংগঠন বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্থায়ী মূরাল নির্মাণের দাবি জানান, তখন।২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই কর্মকর্তারা কীভাবে বিএনপির মুখোশ পরে সাবেক ছাত্র লীগের নেতারা বিএনপি সাজার চেষ্টা করে বহাল তবিয়তে রয়েছে এমন প্রশ্ন উঠেছে খোদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে। মন্ত্রনালয়ে মতো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ ও রাষ্ট্রের সংবেদনশীল জায়গায় সিনিয়র সচিবের দপ্তরে বহাল রয়েছেন, সরকারের এমন একটি স্পর্শকাতর জায়গায় এখনো তাদের উপস্থিতি সত্যিই বিস্ময় এবং উদ্বেগ উভয়ই সৃষ্টি হয়েছে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানান মাননীয় মন্ত্রী ও সিনিয়র সচিব মহোদয়ের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, মাননীয় মন্ত্রী ও সিনিয়র সচিব মহোদয়ের দৃষ্টি কামনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনে মহোদয় গণের সূ- মর্জি কামনার কথা জানিয়েছেন। এই চক্রের বিষয়ে এখনই ব্যবস্থা না নিলে তাদের বেপরোয়া কর্মকান্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তথা সরকারের মান ক্ষুন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে উক্ত সিন্ডিকেটের মূল হোতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গ্রুপে একটি মেসেজ দিয়েছেন আমরা চলি পাতায় পাতায় আমরা একেকজনের হাঁড়ির খবর জানি, তাই আমাদের কেউ কিছু করতে পারবে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন মহল থেকে এ বিষয় প্রতিকার সহ সরকারের উচ্চ মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category