• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
Headline
বালারহাটে বিষাক্ত মদ পানে আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫ ‎ঈদযাত্রায় গৌরনদীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩, আহত ২৩; চার লেনের দাবি জোরালো শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আগৈলঝাড়ায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আগৈলঝাড়ায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। রংপুর কোতোয়ালি থানা ও ধাপ পুলিশ ফাঁড়ি পরিদর্শনে পুলিশ কমিশনার পটুয়াখালীতে ৫১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক ইতিহাস, ঐতিহ্য ও প্রত্নতত্ত্বের নগরী নরসিংদী নিয়ে নির্মিত বিনোদন মূলক ম্যাগাজিন “ইত্যাদি” প্রচারিত হবে ৫ জুন, শুক্রবার। জনগণ ঘুমিয়ে থাকার সময়ে তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে : শফিকুর রহমান চাচাতো-খালাতো-মামাতো বোনকে বিয়ে করলে কী হয়, সতর্কবার্তা দিলেন গবেষকরা মিঠাপুকুরের বড়বালা ইউনিয়নে দিনব্যাপী গণসংযোগে এমপি অধ্যাপক গোলাম রব্বানী

চাচাতো-খালাতো-মামাতো বোনকে বিয়ে করলে কী হয়, সতর্কবার্তা দিলেন গবেষকরা

অনলাইন ডেস্কঃ / ৩৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬

অনলাইন ডেস্কঃ

চাচাতো বা খালাতো ভাইবোনের মধ্যে বিয়ে বহু সমাজে দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি হিসেবে বিবেচিত হলেও সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, এ ধরনের পারিবারিক বিয়ের সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকি যুক্ত থাকতে পারে।

যুক্তরাজ্যের ব্র্যাডফোর্ড শহরে পরিচালিত দীর্ঘমেয়াদি এক গবেষণায় দেখা গেছে, ফার্স্ট কাজিন-অর্থাৎ চাচাতো বা খালাতো ভাইবোনের মধ্যে বিয়ের ক্ষেত্রে সন্তানদের মধ্যে কিছু জেনেটিক ও বিকাশজনিত সমস্যার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে।

গবেষকদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, জিনগত ত্রুটি উভয় অভিভাবকের কাছ থেকে একইভাবে সন্তানের শরীরে প্রবেশ করলে নির্দিষ্ট কিছু বংশগত রোগ প্রকাশ পেতে পারে। যেহেতু ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের মধ্যে একই ধরনের জিন বহনের সম্ভাবনা বেশি, তাই এ ক্ষেত্রে ঝুঁকিও কিছুটা বৃদ্ধি পায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ জনসংখ্যায় বংশগত রোগের ঝুঁকি যেখানে প্রায় ৩ শতাংশ, সেখানে ফার্স্ট কাজিন দম্পতির ক্ষেত্রে তা প্রায় ৬ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

‘বর্ন ইন ব্র্যাডফোর্ড’ শীর্ষক ওই গবেষণায় ১৩ হাজারের বেশি শিশুকে দীর্ঘ সময় ধরে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এতে শিশুদের জন্মগত স্বাস্থ্য, ভাষা বিকাশ, শিক্ষা অগ্রগতি এবং চিকিৎসাসেবার প্রয়োজনসহ বিভিন্ন সূচক বিশ্লেষণ করা হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, ফার্স্ট কাজিন দম্পতির সন্তানদের মধ্যে ভাষা বিকাশে কিছুটা বিলম্ব এবং নির্ধারিত বিকাশগত মাইলফলকে পৌঁছাতে দেরি হওয়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে বেশি। পাশাপাশি এসব শিশু চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার হারও কিছুটা বেশি ছিল। তবে গবেষকরা স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ এই নয় যে সব ক্ষেত্রেই এমন দম্পতির সন্তানদের সমস্যা হবেই।

বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, শুধু কাজিন বিয়েকেই একমাত্র কারণ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। একই সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রজন্মের পর প্রজন্ম বিয়ের কারণে কিছু নির্দিষ্ট জিনগত বৈশিষ্ট্য বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারে, যাকে ‘এন্ডোগামি’ বলা হয়। এতে রক্তসম্পর্ক না থাকলেও একই ধরনের জিনগত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

ইউরোপের কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে এ ধরনের বিয়েকে সীমিত বা নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে। নরওয়ে কাজিন বিয়ে নিষিদ্ধ করেছে এবং সুইডেনও একই ধরনের পদক্ষেপ বিবেচনা করছে। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যে এখনো কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও জেনেটিক কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে দম্পতিদের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

গবেষকদের মতে, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রথার পাশাপাশি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে জেনেটিক ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, বিয়ের আগে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে জানা এবং প্রয়োজন হলে পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category